চন্দনা সেনগুপ্ত

এ যুগের দাদু পকেট রাখেন না
আর ছেলে ভোলানো
লজেনচুষ।
নারকেল দেওয়া কমলার রসে ভরপুর -
নাতির মন পেতে
তাকে দিয়ে ছোটোখাটো
কাজ করিয়ে নিতে -
তাঁর জানা ছিল ঐ একটাই
ঘুষ।
ওতে ভরা থাকতো সেই সময়ে তাদের স্নেহ,
শিশুর শৈশব যেত গলে।
আনন্দে এসে কোলে চড়তো সে -
কোনদিকে থাকতো না তার
হুঁশ।
দাদু হতেন টাট্টু ঘোড়া -
গরুর গাড়ীর বলদ জোড়া -
নাতির সঙ্গে রঙ তামাশায়,
 কাটতো জীবন
খুশির নেশায়, আদর স্নেহ ভলোবাসায়
মিষ্টি রসে টুসটুস।
এখন আর তা হয় না,
লজেনচুষ তো কেউ চোষে না,
তাদের খাবার নতুন নতুন
পাস্তা, পিজ্জা আর
 নুডুলস।
দাদু থাকেন গ্রামের ঘরে,
নাতিরা যায় সাগর পারে,
মোবাইলেই দেখা শোনা আশা
ফানুস হয় যে তাই 
 ফুস l