চন্দনা সেনগুপ্ত

প্রৌঢ়ত্বের শেষ সীমায় -
বার্দ্ধক্যের দোর গোড়ায়
নতুন এক অদ্ভুত সময় - অধ্যায়ে এসে -
নতুন ভক্ত বন্ধু লাভ, -
বদলে দিল,
জীবনের মানে।
কে জানে ! কোনখানে জমা ছিল,
এতো হাসি-কান্না, চুনী-পান্না।
কে যেন হটাৎ বলে, - বুড়ো তো
হই নি এখনও।
ফিরে এসেছি আবার সেই শৈশবে।
আজকে তাই, পাল্টে গেল স্বভাব।
 
সম পর্যায়ের সম মনস্কতার -
সম ভাবনায় পোষা।
সন্তানের সাফল্যে গর্বিত আনন্দিত,
সমান মূল্যবোধে পালিত।
সম ধর্ম ধারণায়, বিশ্বাস ও চেতনায়
আপ্লুত কয়েকটি মানুষ -
যখন হন একত্রিত,
তখন তাঁদের মনে প্রাণে
লাগে আর এক নতুন রঙ।
খুলে যায়, কৃত্রিমতার আবরণ।
 
উজ্জ্বল এক আলোকে
হৃদয়ের উন্মোচন।
যখন -
ভাগ করে নেওয়া হয়,
সব দুঃখ সুখ,
স্মিত হাস্যে আবেগে আশায়
উদ্ভাসিত হয় সকলের মুখ।
 
তখন "ঠাকুর" বলেন, -
"এই তো তোমাদের মাঝে
এই যে অদ্ভুত প্রেম বন্ধন,
এই যে স্নেহ মমতা, ভালোবাসার
আলিঙ্গন, -
এই যে পাহাড় ঘেরা,
পুষ্পে ভরা শ্যামল
সবুজ প্রাঙ্গন, -
এখানে এই হাজার হাজার
শত শত কত ভক্ত
স্বজনের আগমন,
এতেই জাগবে -
উদ্দীপন"।
 
গৈরিকধারী ত্যাগী সন্যাসীদের সঙ্গে
তোদের আবার বিচরণ,
রৌদ্রে স্নাত, সুন্দর পরিবেশে
দূর্গা মায়ের রূপ বর্ণন,
সানাইয়ের সুরে, শিশুদের ঝংকারে -
অপূর্ব এক অনুরণন - এর
মধ্যেই তো আমার আগমন।
 
একে অপরকে ছুঁয়ে দেখো -
অন্তরে অন্তরে সেতু বন্ধন।
এতেই পাবে, -
আমার পরশন।
হবে অকাতরে আশীষ বর্ষণ
আর চলবে সবার তরে
প্রেম বিতরণ।

Leave a comment