দেখে এলেম, পউশী গ্রাম,
রসুল নদীর ধার।
“অনাথ শিশুর” আনন্দ ধাম,
সবুজ ক্ষেতের পার।

সাগর হাওয়া হয় উদ্দাম _
নারিকেলের সারে।

শিশুর তানে মুখর গৃহ -
ছোট্ট  পুকুর পাড়ে।

থাকেন, সেথা “শ্রী বলরাম”
বিশাল পরিবারে -
কাজ করে যান, রোজ অবিরাম,
"অন্তদদ্বয়ে ” তরে।

পাঠশালা এক উঠল গড়ে
আঙিনারি পরে।
“আশ্রমিকের' বাড়ে সুনাম -
দারিদ্র্যে না হারে।

'শিক্ষকেরা' তরুণ সুঠাম
ছাত্র-ছাত্রী পড়ে।
পারিশ্রমিক পান না ভালো
“সস্তোষে' মন ভরে।

গ্রামবাসীদের প্রধান ধরম,
অন্ন যে দান করে
তাদের স্নেহের দাক্ষিণ্যে
শিশুর ক্ষধা হরে।

ছোট্ট ছোট্র শিশুরা সব
আনন্দ গান ধরে -
সতা পথে চলার মন্ত্রে -
জীবন ধন্য করে।

পরিশ্রমের সুফল ফলে,
শান্তি আসে ঘরে -
স্নেহ প্রেমে ভরা গ্রামে
“ঈশের” আশীষ ঝরে।।