গিয়েছিলেম, সজনে খালি, দেখতে শ্যামল বন - “হোগলা” এবং “মাতলা” নদী শীতল ও নির্জন। “বিদ্যাধরী” দোলায় তরী, ভরিয়ে দিল, মন। “সুন্দরী” আর “গরান” গাছের নতুন সে ভুবন। কুমির চরে ডাঙ্গার ধারে - রোদ পোহাতে যখন - জলে কাদায় চমক লাগায় - মাছরাঙ্গা দল তখন। নদীর বাঁকে, ঝাঁকে ঝাঁকে - জাল ফেলার ঐ লগন, নৌকা মাঝি করে এখন “বন-বিবির” পূজন। “দক্ষিণারায়” ব্যাঘ্র তাড়ায় - চলছে তাঁরি ভজন, ভয়ের সঙ্গে কৌতূহলে উতলা হয় জীবন। ঢেউ-এর আঘাত ধরায় ভাঙন, জোয়ার জলের শব্দে মগন গাছের শাখে পাখির কুজন, মনের সুখে করি ভ্রমণ।