আমার যে তুই সই,
কেমন করে উঠলি মাচায় ?
নেই তো হেথা মই!

সারাটি দিন লাফালাফি
পড়লি, না তুই বই,
যাস্‌ যে ঘেমে, আয় না নেমে,
চাস খেতে কি দই?

দেখ না এসে, ভালোবেসে
মা দিয়েছেন খই,
বারান্দাতে চড়াই সাথে
করিস নে হৈ চৈ।

তরতরিয়ে চড়লি গাছে
তর সয় না তোর।
তারিয়ে খেলি তরমুজটা,
তরল লালের ঘোর।
তোর তরে যে তারিনীদি-
তারের লাগায় দোর
তরু তলায় পাহারা দেয় -
যেই না হলো ভোর।

তেরে কেটে তাল শুনিয়ে
ছুট লাগালি জোর।
বাগান ঘুরে ফল খেলি তুই
নাম কিনলি “চোর”।

কাঠ বিড়ালী কর দালালি
ছোট্ট পাখীদের।
পোকা খেয়ে মন ভরে না,
ফল মূল খাস ঢের।
কুটুর কাটুর নেংটী ইঁদুর 
গাছের নীচে থাকে -
পাকা আমের আশায় তোকে
বারে বারে ডাকে।

ল্যাজ ফুলিয়ে উজল চোখে
এদিক ওদিক চাস,
দুই পা দিয়ে কেমন করে
বাদাম ভেঙে খাস ?

বৃষ্টি এলে লুকিয়ে গেলে
কখন পাতার তলে?
শালিখ পাখীর সঙ্গে যত
মনের কথা বলে।
সাদা ডোরায় হাত বুলিয়ে
করতে যে চাই আদর -
ধরব ওরে কেমন করে?
ব্যস্ত যে দিন ভর!

টুপুর টাপুর মধুর দুপুর _
আবেশ লাগে মনে,
কাঠবিড়ালী তোর মিতালী
হবেই আমার সনে।